রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিলুপ্তির পথে মসজিদটি

রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিলুপ্তির পথে মসজিদটি

রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিলুপ্তির পথে মসজিদটি সংস্কর করে দেবার জন্য ফেসবুকে আবেদন করেছিলেন, একজন ফেসবুক ইউজার।

যেভাবে সাড়া দেবার কথা ছিল আসলে তেমনভাবে কেউ সাড়া দেয়না। আসলে ফেসবুক সবার কথা সমানভাবে শুনেনা বা কর্ণপাত করেনা। কারন, ফেসবুকের নিজস্ব কোন ক্ষমতা নাই। ইউজার যদি শেয়ার করে ভাইরাল করে দেয়, তবেই কাজ হয়। নচেৎ জিরো ফল।

আমি আমার দায়িত্বটুকু পালন করেছি। বাকি আল্লাহর ইচ্ছা। ফেসবুক থেকে জেনে নেয়া, অতপর একটু খোঁজ নিলে জানা যাবে এই মসজিদের খবরাখবর। ইসলাম প্রচারের কাজ ধীরগতি হওয়ায় ঐ এলাকায় খৃস্টানরা ফাঁকা মাঠে গৌল দিচ্ছে। কারন এখানে ইসলামের আলো ঠিকভাবে ফুটে উঠেনি। তাই ফুঠে উঠার আগেই, তাদের আলো ছড়িয়ে দিতে পারলেই, তারা বিজয়ী। আমরা মুসলিমরা নিজ নিজ উদর নিয়ে ব্যাস্ত!

ফেসবুকে শুধু আল্লাহ লিখে কমেন্ট করলেই জান্নাত পাওয়া যায়না। জান্নাত এত সস্তা নয়, যে কমেন্ট করেই পাওয়া যায়। তবে ফেসবুক ব্যাবহার করে, এসমস্ত প্রয়োজনীয় পোস্ট শেয়ার করে, ইসলাম কোথায় এগুতে পারছেনা, কোথায় ইসলামে আলো জ্বালাতে বিঘ্ন হচ্ছে, কেন হচ্ছে। এসব পোস্ট বা শেয়ার করে, অন্যসব ধর্মপ্রান মুসলিম ভাই বোনদেরকে জানিয়ে দিলে হয়ত, জান্নাতের পথ একটু সহজ হতে পারে।

আপনারা একটু ত্যাগ স্বীকার, আল্লাহর ঘর নির্মাণের জন্য অবদান রাখতে পারে।
আমরা চেষ্টা করিলে ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে। দূর্গম এলাকায় মুসলিম ভাইদেরকে আলোর পথ দেখাতে যেতে চায়না অনেকেই।

আর সে কারনে, খৃস্টানরা তাদেরকেই টার্গেট করতেছে ধর্মান্তরীত করতে। তাতে তারা সফলও হচ্ছে। কারন, ঐ মানুষরা ইসলাম সম্পর্কে তো কিছুই জানেনা। তাই তাদেরকে দোষ দেয়ারও কিছু নাই।

আমরা সবাই যদি, ইসলামের প্রতি উদাস না হয়ে, আন্তরীক হই। তাহলে আমাদেরই পরকালকে সহজ ও আনন্দদায়ক করতে পারি। মহান আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এবং জ্বীনকে তৈরী করেছেন, তার এবাদতের জন্য।

এই এবাদতের স্থানকে সুসজ্জিত করা মানে, আমাদের নিজেদের পরকালকে সুসজ্জিত করা। আসুন, আমরা নিজেদের খরচের টাকা থেকে, কিছুটা অংশ, নিজেদের পরকালের জন্য ব্যয় করি। আশা করি, এই ত্যাগ ই হতে পারে মুক্তির মাধ্যম।

আপনার দান পাঠানোর মাধ্যম হলো – নগদ, বিকাশ, রকেট।

নিচে এগুলোর নাম্বার দেয়া হলো।
01715418891 বিকাশ, নগদ
01818835477 রকেট,
01575087680 বিকাশ

শেয়ার করুন

One response to “রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিলুপ্তির পথে মসজিদটি”

  1. […] : মাহমুদাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিলুপ… মানবিক সাহায্যের জন্য আকুল অনুরোধ […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মানবতার ডাক - ২০২০
Development By Eliyas Ahmed