কিডনি রোগে আক্রান্ত অসহায় মোস্তাক আহমদের পাশে দাড়ান।

কিডনি রোগে আক্রান্ত অসহায় মোস্তাক আহমদের পাশে দাড়ান।

দয়া করে কিডনি রোগে আক্রান্ত অসহায় মোস্তাক আহমদের পাশে দাড়ান।কিডনি রোগে আক্রান্ত অসহায় মোস্তাক আহমদের পাশে দাড়ান।

জকিগঞ্জ উপজেলার ৩নং কাজলসার ইউপি ২নং ওয়ার্ডের উত্তর মরইরতল গ্রামের মৃত বশির আলীর ছোট ছেলে মস্তাক আহমদ (৩২) কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে অসহায়ের মতো মাওলাপাকের দরবারে এখন কান্নাকাটি করছেন।

মোস্তাক আহমদ সুস্থ থাকতে কয়েক বছর গাড়ি চালিয়ে কুনোমতে সাংসার চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীতে যখন শারিরীক বিভিন্ন অসুস্থ হয়ে পড়েন তখন প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন। তার স্ত্রী ও ছোট ২মেয়ে, ১ছেলে রয়েছে। এক সময়ের সচ্ছল এই মানুষটির অভাবের সংসার চলতেছে আটগ্রাম বাসষ্টেশন বাজারে ছোট টংএ পান দোকান দিয়ে।

ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, গত কয়েক মাস থেকে সেই নম্র, ভদ্রও শান্ত স্বভাবের লোকটি কিডনি রোগে ভূগতেছে।
সিলেট ওসমানী মেডিকেলের ইউরোলজি বিভাগে দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বলেছে তার কিডনি সমস্যার কারণে শরীরে রক্তের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই দ্রুত কিডনি ডায়ালাইসিস করতে হবে।
আর ডায়ালাইসিস করতে হলে প্রায় দুই লক্ষ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু তার ছোট এক রুমের একটি বসতঘর আর বাজারের টংএ পান দোকান ছাড়া সহায় সম্পত্তি বলতে কিছুই নেই। তার এই অভাবের সংসারে চিকিৎসা খরচ চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব না হওয়ায় অসহায়ের মতো মাওলাপাকের দরবারে এখন কান্নাকাটি করছেন এবং অবুঝ ৩টা শিশু সন্তানের জীবন যাপন আর ভরণ পোষণের চিন্তা করছেন।

অপরদিকে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী মানুষটি বিছানায় শয্যাশায়ী হওয়ায় স্ত্রী অবুঝ শিশুদের নিয়ে এখন দিশেহারা। কিভাবে তার অসুস্থ স্বামীকে চিকিৎসা করাবে এবং সংসার চালাবে তা নিয়ে স্ত্রী এখন চরম হতাশায় ভূগছেন।

এতোদিন তার আত্মীয় স্বজন ও আমেরিকা প্রবাসী Abdul Matin এর সহযোগিতা আর নিজের যা ছিলো তা দিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন।

এদিকে ডায়ালাইসিসের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছে সপ্তাহের যেকোনো বুধবার মেডিকেলের ইউরোলজি বিভাগের ভর্তি হওয়ার জন্য।

দ্রুত চিকিৎসা না করলে মস্তাক আহমদের শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাবে বলেও চিকিৎসক জানিয়েছেন।

অসুস্থ মস্তাক আহমদ তার এহেন অবস্থায় নিজে চরম হতাশার মধ্যে দিন পার করছেন, আর অবুঝ ছোট শিশুদের দিকে তাকিয়ে চোঁখের পানি ফেলছেন।

আমি সেদিন বাড়িতে গিয়ে তার এবং অবুঝ শিশুদের দৃশ্য দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি।
চোখের সামনে মানুষটি মৃত্যুর কুলে ঢলে পড়ছে আর অবুঝ শিশুগুলো পিতৃহারা এবং অসহায় হতে যাচ্ছে।

অবুঝ ছোট শিশুদের দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছিল নিজে থেকে ব্যবস্থা করে তার চিকিৎসা করি। তাই সবার নিকট এই অসহায় পরিবারের জন্য হাত বাড়ালাম।

গত ১৩ জানুয়ারী মোস্তাক আহমদ কে সিলেট ওসমানী মেডিকেলের ৩লা ১১নং ওয়ার্ড ইউরোলজি বিভাগে ভর্তি করিয়েছিলাম, ডাক্তার কয়েকটি টেস্ট দিয়েছে, কিন্তু তার হাতে সে পরিমাণ সামর্থ্যও নেই। তাই টাকার ব্যবস্থা না হওয়ায় বাড়িতে ফিরে আসে।

গতকাল আবার তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় আজ সিলেট ওসমানী মেডিকেলে ইউরোলজি বিভাগে ভর্তি হয়।

জানি, অনেক মানব দরদী ব‍্যাক্তিও সংগঠন আছেন যারা এমন অসহায়দের পাশে মানবিক ডাকে সাড়া দেন। অতিতেও অনেকে এভাবে অনেকের পাঁশে দাঁড়িয়েছেন।

দয়া করে এই অসহায় মোস্তাক আহমদের অবুঝ শিশুদের দিকে তাকিয়ে তার চিকিৎসার জন্য সবাই যার যা সাধ‍্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়াবেন।
মোস্তাক আহমদের সাথে যোগাযোগ ও বিকাশ পার্সোনাল ০১৭৯৫৩৫২০১৩।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মানবতার ডাক - ২০২০
Development By Eliyas Ahmed