সাম্প্রতিক :
মুখে বলবে- নারী স্বাধীনতা, কিন্তু করবে নারী দিয়ে ব্যবসা। একটি পেঁপের মূল্য ১ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা! করোনায় আতংক নয়! সামান্য কয়েক টাকায় করোনার চিকিৎসা! দাবী বাংলাদেশী গবেষকের।। একটি মানবিক আবেদন – মনিরুল ইসলাম উপহারের নামে প্রতারনা! সতর্ক না হলে সর্বস্ব হারাবেন!! মানবিক সাহায্য চেয়ে ফেসবুকে আবেদন। মে মাসে ১২ তারিখে সুরাইয়া নামক নক্ষত্রের উদয় ও করোনার বিদায় একজন সৎ সঙ্গী আপনাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে পারে। যদি আপনি তাকে অনুসরন করেন। ভাইরাল করলে এটা করুন! কাজে আসতে পারে। সিলেট ওসমানি হাসপাতাল! দরকার হলে মাটি খেয়ে পড়ে থাকুন! তবুও ঘরেই থাকুন। কেন বলছি, হিসাবটা মিলিয়ে দেখুন ||
ভারতীয় আগ্রাসীর প্রতিবাদে প্রত্যেক জেলায় “বাবরী মসজিদ” প্রতিষ্ঠা করার আহবান।

ভারতীয় আগ্রাসীর প্রতিবাদে প্রত্যেক জেলায় “বাবরী মসজিদ” প্রতিষ্ঠা করার আহবান।

ভারতীয় উগ্রবাদী হিন্দুদের আক্রমনে, ভেঙ্গে যাওয়া বাবরী মসজিদের ইতিহাস কোন মুসলিম ভূলতে পারেনা। এরই জের কাটতে না কাটতে আবারও দিল্লিতে কোন এক মন্দিরের দায়ীত্বপ্রাপ্ত পন্ডিতের উস্কানীতে প্রায় মুসলিমকে শহীদ করা হয়েছে। অন্ধ করে দেয়া হয়েছে বহু ধর্মপ্রান মুসলিমকে। মসজিদে আগুন লাগিয়ে উল্লাস করেছে হিন্দুত্ব স্টাইলে।

কিন্তু, কস্ট পেয়েছি আমরা যারা মুসলমান, কলিজায় আগুন লেগেছে আমাদের,  চিৎকার করে কাঁদতে চেয়েছি, বলতে চেয়েছি – আমায় ছেড়ে দে,  ঐ নিষ্পাপ ভাইদের মত আমিও শহীদ হতে চাই। তবে একা নয়,  অন্তত একটাকে নিয়ে হলেও আমি শহীদ হবো। আমার মুসলিম উপর বর্বর হামলার বদলা নিবো। লেংটা পুজারীদের বুজিয়ে দিবো, মুসলিমরা দূর্বল নয়, জিহাদ করেই ইসলামকে আল্লাহর জমিনে প্রতিষ্টা করেছে। মুসলিমগন নিজের জীবন তার সৃস্টিকর্তার জন্য বিষর্জন করতে সর্বদাই প্রস্তুত।

পাঠক! শুধু আবেগকে লালন করলেই হয়না। তার বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরী। তাই,  প্রতিপক্ষকে ঐক্যের শক্তিতে আক্রমন করতে হয়। সেই শক্তি পরিক্ষার কিছু পদক্ষেপ থাকতে হয়। যুগের বিবর্তনে ঐক্যের কৌশলে কিছু ভিন্নতা থাকা প্রয়োজন। যে ঐক্য বিজাতিরা যখন পর্যবেক্ষন করবে, তখন তারা কিছু আন্দাজ করতে পারবে, মুসলিমরা ঐক্যের দ্বারা বিজয়ী হতে পারে। হয়ত তারা সন্ত্রাসের জবাব সন্ত্রাসীর মাধ্যমে দেয়না,  তারা হয়ত সেটাকে অন্যভাবে দিবে।

এবার মুল প্রসঙ্গে আসি,  কথা ছিল বাবরী মসজিদ নিয়ে। বিংশ শতাব্দীর শেষেরদিকে মুসলিম সম্রাজ্যের স্মৃতিবিজরীত ঐতিহাসিক মসজিদ বাবরী মসজিদকে তাদের রামের জন্মস্থান মনে করে, অতর্কিত হামলা করে, একদল নেংটা পূজারী নিকৃস্ট প্রজাতির কুলাঙ্গাররা বহু মুসলিমকে হত্যা করে মসজিদটি ভেঙ্গে দেয়। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর জানা যায়, পৃথিবী অস্তীত্বহীন রামের কোন আলামত পায়নি। কৌশলে নিজের ক্ষমতার বলে একটা রায় দিয়ে মামলাটি শেষ করার একটা চেস্টা করে। হয়ত সেই চেস্টায় তারা সফল হবে,  কিন্তু আমরা বসে থাকলে চলবেনা। ভিন্ন রাস্ট্র হওয়ায় আমরা সরাসরী কোন ভূমিকা নিতে না পারলেও, অন্য উপায়ে বুজিয়ে দিতে পারি, পৃথিবীর সকল মুসলিম এক।

তাই প্রত্যেক জেলায় জেলায় একটি করে, বাবরী মাসজিদ প্রতিস্টা কমিটি গড়ে তুলুন। তহবিল সংগ্রহ করুন। অন্তত ৩০ শতাংশের জমিতে হলেও অথবা যেকোন একটি পুরাতন মসজিদকে সংস্কারের মাধ্যমে, বাবরী মসজিদ নাম দিয়ে, পুণঃপ্রতিস্টা করুন। বিজাতিরা বুজে নিবে, একটা বাবরী মসজিদ ভাঙ্গায় আজ অসংখ্য বাবরী মসজিদ গড়ে উঠেছে। একজন মুলিমকে যদি নির্যাতন করি,  হাজারও মুসলিম শক্তি সঞ্চয় করে তেড়ে আসবে। আর এভাবেই হয়ত  এত সহজে আক্রমন করার সাহস পাবেনা।

যুক্তিযুক্ত হলে লেখাটি শেয়ার করবেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen − seven =




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মানবতার ডাক - ২০২০
Development By Eliyas Ahmed