সাম্প্রতিক :
মুখে বলবে- নারী স্বাধীনতা, কিন্তু করবে নারী দিয়ে ব্যবসা। একটি পেঁপের মূল্য ১ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা! করোনায় আতংক নয়! সামান্য কয়েক টাকায় করোনার চিকিৎসা! দাবী বাংলাদেশী গবেষকের।। একটি মানবিক আবেদন – মনিরুল ইসলাম উপহারের নামে প্রতারনা! সতর্ক না হলে সর্বস্ব হারাবেন!! মানবিক সাহায্য চেয়ে ফেসবুকে আবেদন। মে মাসে ১২ তারিখে সুরাইয়া নামক নক্ষত্রের উদয় ও করোনার বিদায় একজন সৎ সঙ্গী আপনাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে পারে। যদি আপনি তাকে অনুসরন করেন। ভাইরাল করলে এটা করুন! কাজে আসতে পারে। সিলেট ওসমানি হাসপাতাল! দরকার হলে মাটি খেয়ে পড়ে থাকুন! তবুও ঘরেই থাকুন। কেন বলছি, হিসাবটা মিলিয়ে দেখুন ||
ইসলামে নাস্তিক্যবাদের কৌশল চলছে। মুমিনদের জন্য সতর্কবার্তা!

ইসলামে নাস্তিক্যবাদের কৌশল চলছে। মুমিনদের জন্য সতর্কবার্তা!

ইদানিং ফেসবুক চালু করলেই দেখা যায়,  পীর-মাশায়েখগনকে নিয়ে কুরুচিপুর্ণ মন্তব্য।

যা ইসলামের জন্য অশনি সংকেত। এর আগেও খলিফাযুগ থেকে এমনটা হয়েছে।  তবে যারাই এই কুখ্যাত ষড়যন্ত্রের সাথে সম্পৃক্ত ছিল, তাদের ইতিহাস ঘৃনাক্ষরেই লিখা হয়েছে। কিছুদিন আগেও যিনি, নবীদেরও গোনাহ ছিল বলে ফতোয়া দিয়েছিল,  তাকেও তার প্রতিনিধীদের বিচার আল্লাহ তাআলা করেছেন। বর্তামানে বাকি ছিল,  ওয়ারাসাতুল আম্বিয়ার একটি অংশ – পীর মাশায়েখ,  এখন চলছে তাদের নামে কুৎসা রটানো। অথচ, ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার করেছেন আউলিয়াগন, বিভিন্ন দেশে থেকে এসে অসংখ্য পীর মাশায়েখগন ইসলাম প্রচারে শহীদ হওয়ার ঘটনাও ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে।

আজ কিছু নামধারী মুসলিম,  যারা নাস্তিকদের এজেন্ট, তারা আউলিয়াদের কেরামত বিশ্বাস করেনা। তারা এই কেরামত নিয়ে কুৎসা রটায়। কিছুদিন ধরে জৈনক পীর সাহেব, অন্য একজন পীরসাহেবের জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে বলেছিলেন,  সাপ নাকি হজরতের কাছে মুরিদ হয়েছিল।

ওরা এটাকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে, বিভিন্ন গ্রপে ব্যাঙ্গ করে পোস্ট করছে,  এমন কি হা হা রিয়েক্ট চাইতেছে। আমি তাদের সম্পর্কে নিস্বন্দেহে বলে দিতে পারবো, আবু জেহেলের আমলে ওরা যদি পৃথিবীতে আসতো,  নবীর মুজেজা শুনা মাত্রই আবু জেহেলের চেয়ে হাজারগুন বেশী ব্যাঙ্গ করতো। হয়ত একারনে আবু জেহেলের নামটাই প্রকাশ হতনা।

পাঠক! আল্লাহর অলৌকিক ক্ষমতা কেয়ামত পর্যন্ত শেষ হবেনা,  আর মহান আল্লাহর যাকে পছন্দ হবে তার মাধ্যমেই স্রষ্টার পরিচয় প্রকাশ করবেন। আর এটা নবী রাসুলগনের ক্ষেত্রে মুজেজা,  ওলী আউলিয়া ও মুমিনগনের ক্ষেত্রে কেরামত। যে বিশ্বাস করবেনা সে ই গোমরাহ। আর মুমিনগন সুবহানাল্লাহ বলবে, কারন তার ইমান আছে বলেই আল্লাহর কুদরতী শক্তিকে বিশ্বাস করে।  গোমরাহ যারা, তারা হয়ত একটা ধর্মের থাকার জন্যই ইসলামকে বেচেঁ নিয়েছে, আসলে তারা মুসলমান নয়। নাস্তিকের একটা অঙ্গ-সংগঠন। তাইতো তারা আউলিয়াগণের কেরামতিকে আবু জেহেলেরমত যাদু বলে উড়িয়ে দিচ্ছে।

তাদের যে সমস্ত ধর্মগুরু আছেন, আজ পর্যন্ত শুনিনি একটা অলৌকিক ঘটনা তাদের জীবনে ঘটেছে। আর এসব প্রশ্ন সাধারন মুমিনদের মনে হয়ত কখনও জেগে উঠতে পারে,  এই ভয়ে তারা এসব কেরামতিকে যাদু হিসাবে স্বীকৃতি দেয়ার চেষ্টা করে আসছে।

হাজার যুব মুসলিমকে নাস্তিকতা শিখিয়ে, ইহুদী খৃস্টানদের এজেন্ট হিসাবেও কাজ করতে পারে। তবে এব্যাপারে আমার কাছে কোন তথ্য না থাকায়,  সরাসরী বলতে পারছিনা। আমি শুধু এটাই বলবো,  আপনি যদি মুসলমান হন,  তাহলে মহান আল্লাহর কুদরতিকে বিশ্বাস করবেন। যাচাই করতে অসুবিদা নেই, তবে যাচাই না করে, অথবা কেরামত দেখানো ব্যাক্তি আপনার অপছন্দনীয় হওয়ার কারনে, ঐ ব্যাক্তির কেরামতিকে নিয়ে ঠাট্টা করলে, আমরা ধরেই নেব আপনি খৃষ্টানদের এজেন্ট বা নাস্তিক।

আমরা জানি,  সবার মনগড়া কথা আমরাও বিশ্বাস করি না। তবে এনিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপও করিনা।  কারন এতে আমার ইসলামেরই ক্ষতি হবে। খুশি হবে অনৈসলামিক ধর্মবলম্বীরা। মন্তব্য করবে আমাদের একে অপরকে নিয়ে। আমি ঐ আলেমদেরও ঘৃনা বা খারাপ মন্তব্য করিনা,  বরং তাদেরকে ভালবেসে বুঝাতে চাই ইসলামের ক্ষতি করা ছেড়ে দিয়ে, সঠিক পথের অনুসন্ধান করুন। আল্লাহ ও তার প্রেরীত রাসুল সঃ এর পথে হাটুন। সাথে রাখুন “উলিল আমরি মিনকুম” এর সঠিক ব্যাখ্যা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eight − four =




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত মানবতার ডাক - ২০২০
Development By Eliyas Ahmed